হ্যান্ডস-অন রিভিউ: সিম্ফনি জেড৮

0
7.9 Awesome
  • ডিজাইন 10
  • ডিসপ্লে 7.5
  • বিল্ড কোয়ালিটি 9
  • ক্যামেরা 6
  • হার্ডওয়্যার 7
  • পারফর্মেন্স 8
  • গেমিং পারফর্মেন্স 7
  • ব্যাটারি লাইফ 8.5
  • মাল্টিমিডিয়া এক্সপেরিয়েন্স 8
  • User Ratings (2 Votes) 8.8

আবির হাসান: দেশীয় স্মার্টফোন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান সিম্ফনি সম্প্রতি প্রযুক্তি বাজারে উন্মোচন করেছে তাদের জেড সিরিজের নতুন একটি আকর্ষণীয় স্মার্টফোন ‘সিম্ফনি জেড৮’। চমৎকার এই স্মার্টফোনটিতে প্রতিষ্ঠানটি প্রথমবারের মত মিডিয়া-টেক চিপসেটের পরিবর্তে ব্যবহার করেছে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৪৩০ চিপসেটটি। শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি আরও বেশ কিছু চমক রাখা হয়েছে এই স্মার্টফোনটিতে। আমি ‘আবির’ রেভ ইঞ্জিনের পক্ষ থেকে আজকের এই পর্বটি সাজিয়েছি অসাধারণ এই স্মার্টফোনটির খুঁটিনাটি তথ্যে ভরা হ্যান্ডস-অন রিভিউ নিয়ে। চলুন, কথা না বাড়িয়ে স্মার্টফোনটি সম্পর্কে খুব অল্প সময়ে প্রায় সব মেজর তথ্যগুলো জেনে নেয়া যাক। তবে বিস্তারিত রিভিউ এর পূর্বে প্রথমে স্মার্টফোনটি আনবক্স করলে কী পাওয়া যাবে তা সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

আনবক্সিং 

কালো রঙের সুদৃশ্য বক্সটি খুললেই বক্সটির ভেতরে যা পাওয়া যাবেঃ

  • একটি সিম্ফনি জেড৮ স্মার্টফোন
  • একটি প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ব্যাক কভার
  • একটি মোটামুটি মানের হেডফোন
  • একটি চার্জার অ্যাডাপ্টার
  • একটি ট্রাভেল চার্জার
  • একটি সিম ইজেক্টর টুল
  • একটি ইউজার ম্যানুয়াল ও
  • একটি ওয়ারেন্টি কার্ড

ডিজাইন

সম্পূর্ণ মেটাল ফিনিশিং এর স্মার্টফোনটি আকারে বর্তমানের রেগুলার স্মার্টফোনগুলো থেকে কিছুটা ছোট। (ফোনের উপর ফোন রেখে শট) তবে ছোট বলেই এবং এর চমৎকার মেটাল ফিনিশিং এর কারণেই হয়ত স্মার্টফোনটিকে দেখতে এতটা আকর্ষণীয় মনে হয়। অনেক ব্যবহারকারীরাই বড় স্ক্রিনের স্মার্টফোনগুলোর বিরুদ্ধে কমফোর্টের ইস্যু নিয়ে অভিযোগ করেন, অনেকে বাধ্য হয়ে ব্যবহার করেন ওয়ান-হ্যান্ড মোড তবে সিম্ফনি জেড৮ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের অন্তত এই অসুবিধায় পরতে হবেনা বলেই আমার বিশ্বাস!

অসাধারণ বিল্ড কোয়ালিটির এই স্মার্টফোনটির একদম উপরের দিকে রাখা হয়েছে একটি ইউএসবি ৩.৫ মিলিমিটার হেড ফোন জ্যাক! ডিভাইসটির ডানে দেখতে পাবেন এর ভল্যিউম রকার ও পাওয়ার বাটন এবং বামে পাবেন সিম ও মাইক্রো এসডি কার্ড স্লট। ডিভাইসটিতে একটি রেগুলার মাইক্রো সিম স্লটের পাশাপাশি একটি হাইব্রিড স্লট ব্যবহার করা হয়েছে। এর একদম নিচে রয়েছে দুটি স্পীকার গ্রিল যার মধ্যে শুধুমাত্র ডান দিকেরটিই মূল স্পীকার এবং অন্যটি সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। বাম দিকের এই স্পীকার গ্রিলটির মধ্যে স্মার্টফোনটির প্রাইমারী মাইক্রোফোনটি প্লেস করা হয়েছে বলেই আমার ধারণা। যাই হোক, দুটি স্লটের মাঝে আছে একটি মিনি ইউএসবি পোর্ট। ফোনটির একদম টপ ফ্রন্টে আছে একটি ফ্ল্যাশ, ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা, স্পীকার এবং লাইট ও প্রক্সিমিটি সেন্সর। এর একদম নিচের দিকে আছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশিষ্ট একটি ফিজিক্যাল হোম বাটন। তবে ফিজিক্যাল হোম বাটন থাকলেও স্মার্টফোনটিতে কোন ক্যাপাসিটিভ ন্যাভিগেশন কী ব্যবহার করেনি প্রতিষ্ঠানটি, এর পরিবর্তে এতে অন-স্ক্রিন ন্যাভিগেশন কী দেখতে পাবেন আপনারা। সিম্ফনি জেড ৮ ডিভাইসটির নন-রিমোভ্যাল ব্যাক-পার্টের উপরের দিকে প্রথমেই কিছুটা উঁচু হয়ে থাকা এর রিয়ার ক্যামেরাটি অবস্থিত। এবং এর একদম নিচেই পাবেন ডুয়েল টোন এলইডি ফ্ল্যাশ!

ডিসপ্লে

৫ ইঞ্চি আকারের ডিসপ্লে প্যানেলে ফুল এইচডি রেজ্যুলেশন ব্যবহার করা হলে সেটা ভালো হতে বাধ্য! এই ডিভাইসটির ক্ষেত্রেও এটি একদম ব্যতিক্রম হয়নি। আইপিএস ডিসপ্লে প্রযুক্তি, চমৎকার রেজ্যুলেশন, ২.৫ডি গ্লাস প্রযুক্তি এবং অসাধারণ কালার রি-প্রোডাকশন – এগুলো সব মিলিয়ে যেন সিম্ফনি জেড ৮ স্মার্টফোনটির একটি চমৎকার বিশেষত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ডিসপ্লে প্যানেলটি। ৫টি আঙ্গুল পর্যন্ত মাল্টি টাচ সাপোর্টেড এই ফোনটির টাচ রেসপন্সও আমার কাছে যথেষ্ট ভালো মনে হয়েছে।

ছোট আকারের ডিসপ্লে হওয়ায় বেশিক্ষণ ব্যবহারেও আন কমফোর্টেবল ফিল করার সম্ভাবনা নেহায়েতই কম। ডিসপ্লের প্যানেলটির একমাত্র সীমাবদ্ধতা হিসেবে আমার কাছে এটি সর্বোচ্চ ব্রাইটনেসও তেমন ব্রাইট মনে হয়নি। তবে হ্যাঁ, যথেষ্ট ব্রাইট না হলেও সূর্যের আলোর নিচে ডিভাইসটি ব্যবহারে বেগ পেতে হবেনা ব্যবহারকারীদের।

ক্যামেরা

স্মার্টফোনটিতে রয়েছে পিএডিএফ ও ডুয়েল টোন ফ্ল্যাশ প্রযুক্তি সহ ১৩ মেগাপিক্সেলের একটি রিয়ার ক্যামেরা ইউনিট যা ডিসেন্ট ছবি তুলতে সক্ষম হলেও সমমূল্যের অন্যান্য ব্রান্ডের স্মার্টফোনগুলোর রিয়ার ক্যামেরা ইউনিট থেকে এটি প্রতিযোগিতায় কিছুটা হলেও পিছিয়ে থাকবে। দিনের আলোতে বেশ দ্রুত ছবি তুলতে সক্ষম হলেও লো-লাইট কন্ডিশনে মোটামুটি ছবি তুলতেও স্মার্টফোনটিকে বেশ বেগ পেতে হয়।

সেলফিপ্রেমীদের জন্য এই স্মার্টফোনটি একটি আদর্শ ডিভাইস হতে পারে, কেননা এতে রয়েছে একটি ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ফেসিং শুটার যার কোয়ালিটি আমার কাছে এক কথায় অসাধারণ মনে হয়েছে। রাতের বেলায় সেলফি তোলার সহায়ক হিসেবে স্মার্টফোনটিতে রয়েছে একটি ফ্রন্ট ফ্ল্যাশ যা একজন, বড়জোড়া দুজনের ছবি বেশ ভালোই রাতের আধারে তুলতে সক্ষম।

স্মার্টফোনটির স্টক ক্যামেরা ইন্টারফেস বেশ সহজ তবে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে এই ইন্টারফেসটিতে! স্টক অ্যাপলিকেশনে সোয়াইপ করে আপনাকে সেটিংস এবং মোড উইন্ডো ব্যবহার করতে হবে। এছাড়াও আপ-টু-ডাউন বা ডাউন-টু-আপ সোয়াইপের মাধ্যমে খুব দ্রুত রিয়ার বা ফ্রন্ট ক্যামেরা নির্বাচন করার সুবিধাও আছে এতে।

চলুন কিছু ক্যামেরা স্যাম্পল দেখে নেয়া যাক এবার।

ছবিটি লো লাইটে রিয়ার ক্যামেরা দিয়ে তোলা হয়েছে।

দিনের আলোতে রিয়ার ক্যামেরা ব্যবহার করে তোলা ছবি।

ঝকঝকে চমৎকার সেলফিতোলার জন্য বিউটিমোড ও ফ্রন্ট ফ্ল্যাশ সহ স্মার্টফোনটির ফ্রন্ট ক্যামেরা সত্যিই প্রশংসার দাবীদার।

সফটওয়্যার

স্মার্টফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড মার্শম্যালো এবং এর উপরে সম্ভবত প্রতিষ্ঠানটি অ্যামিগো নামের একটি কাস্টম ইউ আই ব্যবহার করেছে। তবে স্মার্টফোনটি ব্যবহারের সময় প্রায় স্টক লাইক এক্সপেরিয়েন্সই পাবেন আপনারা। এই ইউআইটিতে কোন অ্যাপ ড্রয়ার ব্যবহার করা হয়নি, বরং বাড়তি হোম স্ক্রিনেই অ্যাপলিকেশনগুলো অর্গানাইজ করে রাখতে পারবেন আপনারা। ডিভাইসটিতে কিছু ছোট আকারের গেম, এবং পিকাবু ছাড়া কোন ব্লটওয়্যার যুক্ত করা হয়নি।

স্মার্টফোনটির নোটিফিকেশনে একটি ইকো মোডের দেখা পাবেন আপনি যার সাহায্যে একটি সিম্পল ইউজার ইন্টারফেস ক্রিয়েট করে ব্যাটারি সংরক্ষণ করা সম্ভব। এছাড়াও এতে ‘ফোন অ্যাসিস্ট’ নামের একটি ফিচার যুক্ত করা আছে যার মাধ্যমে র‍্যাম স্পেস অর্গানাইজ করার পাশাপাশি পাওয়ার সেভার, ডেটা ম্যানেজমেন্ট, নোটিফিকেশন ম্যানেজার এবং এরকম আরও চমৎকার কিছু সেবা পাওয়া যাবে।

হার্ডওয়্যার ও পারফর্মেন্স

স্মার্টফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ১.৪ গিগাহার্জ গতির একটি অক্টা-কোর কর্টেক্স-এ৫৩ কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৪৩০ প্রসেসর। সাথে থাকছে অড্রিনো ৫০৫ জিপিইউ এবং ৩ গিগাবাইট র‍্যাম যার মধ্যে ব্যবহারকারীরা প্রায় ২.৮ গিগাবাইটের মত ইউজার অ্যাভেইল্যাবল র‍্যাম পাবেন। স্মার্টফোনটির অন-বোর্ড স্টোরেজ বেশ কম, মাত্র ১৬ গিগাবাইট যার মধ্যে প্রায় ৭ গিগাবাইট আবার সিস্টেমের দখলে! তবে সমস্যা নেই, স্মার্টফোনটিতে থাকছে বাড়তি মেমরি কার্ড ব্যবহারের সুবিধাও!

স্মার্টফোনটি কিছুদিন ব্যবহার করার পর, আমার এক্সপেরিয়েন্স থেকে বলতে চাই, ডিভাইসটি থেকে আমি সলিড পারফর্মেন্স পেয়েছি। ৩ গিগাবাইট র‍্যাম ও অক্টা-কোর প্রসেসরের কল্যাণে মাল্টিটাস্কিং-এর ক্ষেত্রে কোন হ্যাসেলে পরতে হয়নি আমাকে। বড় গেমের হাই গ্রাফিক্স সেটিংস ছাড়া অন্য কোন অপারেশনেই আমাকে ল্যাগ ফেস করতে হয়নি যা আমাকে অবাক করেছে। এক কথায়, এর পারফর্মেন্স নিয়ে আমি সন্তুষ্ট!

বেঞ্চমার্ক

স্মার্টফোনটির বেঞ্চমার্ক পরীক্ষার ফলাফল আমার কাছে কিছুটা মিশ্র মনে হয়েছে। আনটুটুতে এটি স্কোর করেছে ৪৩৩৬০ যা কিছুটা বেশি হতে পারত, অন্তত স্ন্যাপড্রাগন চিপসেট ও ৩ গিগাবাইট ডিডিআর৩ র‍্যাম থেকে এটুকু আশা করাই যায়। আনটুটুর স্কোর কিছুটা কম মনে হলেও নেনামার্ক-২ ও গিকবেঞ্চ ৪-এ মোটামুটি ভালোই স্কোর করতে সক্ষম হয়েছে স্মার্টফোনটি। নেনামার্কে এর স্কোর ছিল ৫৮.৮ এফপিএস এবং গিকবেঞ্চে এর সিঙ্গেল কোর ও মাল্টি কোরের পারফর্মেন্স ছিল যথাক্রমে ৬৪৬ ও ২০৪২।

বেঞ্চমার্ক পরীক্ষার ফলাফল।

গেমিং পারফর্মেন্স

স্মার্টফোনটিতে কালার সুইচ, সাবওয়ে সার্ফারের মত ছোট আকারের গেমগুলো থেকে অ্যাসফল্ট ৮, গান ও মিশন ইম্পসিবল টাইপের মাঝারি ও বড় আকারের গেমগুলো ফুল গ্রাফিক্স সেটিংসে খেলে দেখা হয়েছে। বড় গেমগুলোতে হালকা ল্যাগের দেখা মিললেও ছোট এবং মাঝারি গেমগুলো খেলা গিয়েছে একেবারেই ল্যাগহীন ভাবে। আমার টেস্ট প্রিয়ডে টানা গেম খেলার ক্ষেত্রে স্মার্টফোনটিতে কিছুটা হিট লক্ষ্য করেছি তবে তা অবশ্যই আহামরি পর্যায়ের কিছু ছিলোনা।
সেন্সর

ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর – স্মার্টফোনটিতে একটি ফিজিক্যাল হোম বাটন রাখা হয়েছে এবং এই হোম বাটনের উপরেই মূলত ডিভাইসটি ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা বায়োমেট্রিক সেন্সর প্লেস করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আনলক করার ক্ষেত্রে এই সেন্সরটিকে আমার কিঞ্চিৎ ধীরগতির মনে হয়েছে।

বায়োমেট্রিক সেন্সর ছাড়াও স্মার্টফোনটিতে বেশ কিছু স্মার্ট সেন্সর ব্যবহার করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ডিভাইসটিতে আপনি একসেলারোমিটার সেন্সর, লাইট সেন্সর, অরিয়েন্টেশন সেন্সর, প্রক্সিমিটি সেন্সর, জায়রোস্কোপ, সাউন্ড ও ম্যাগনেটিক সেন্সরের দেখা পাবেন আপনি। এছাড়াও এতে আছে স্মার্ট অ্যাকশন ও স্মার্ট জেসচার নামের কিছু ফিচার যার মাধ্যমে ডাবল-ট্যাপ টু ওয়েক ও লক, ফ্লিপ টু মিউট, ডিস্যাবল হ্যান্ডস ফ্রি, ফ্লিপ টু স্নুজ ইত্যাদি সুবিধাগুলো ব্যবহার করা যাবে এবং ভিন্ন ভিন্ন জেসচারের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন অ্যাপলিকেশন ওপেন করা যাবে।

ব্যাটারি লাইফ

স্মার্টফোনটিতে আছে ৩০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার একটি লি-পলিমার ব্যাটারি যা সাধারণ ব্যবহারে আপনাকে প্রায় দেড় দিনেরও বেশি ব্যাক-আপ দিতে সক্ষম! আমার ক্ষেত্রে আমি ১০০-১৩ শতাংশ চার্জের মধ্যে প্রায় ২ দিন ১৫ ঘণ্টার মত স্ট্যান্ড-বাই টাইম পেয়েছি, সাথে ছিল ৪ ঘণ্টা ১২ মিনিট স্ক্রিন অন টাইম। এই ৪ ঘণ্টা স্ক্রিন-অন টাইমে আমি মোট আধ ঘণ্টা গেম খেলা সহ ভিডিও স্ট্রিম এবং নেট ব্রাউজ করেছিলাম। বুঝতেই পারছেন, বেসিক কিম্বা অ্যাডভানস, যে ধরণের ব্যবহারকারীই আপনি হন না কেন এই স্মার্টফোনটি ব্যবহারের সময় ব্যাটারি ব্যাক-আপ নিয়ে তেমন চিন্তা করতে হবেনা আপনাকে। এছাড়াও রয়েছে ‘ইকো’ মোড যা একটি সিম্পল ইন্টারফেস ক্রিয়েট করে ব্যাটারি সংরক্ষণে সহায়তা করবে। পাশাপাশি মার্শম্যালোর ডোজ ফিচারটিতো থাকছেই।

এই ছিল চমৎকার এই স্মার্টফোনটির প্রয়োজনীয় প্রায় সকল তথ্য! আমি চেষ্টা করেছি এই ১৩৯৯০ টাকা মূল্যের স্মার্টফোনটির ভালো ও মন্দ দিকগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরার, এখন ডিভাইসটি কিনবেন কি না তা একান্তই আপনার উপর নির্ভর করে। তবুও যদি এই স্মার্টফোনটি সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন আপনার থেকে থাকে তবে যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে। আর হ্যাঁ, আগামীতে চমৎকার সব ডিভাইসের অনেস্ট রিভিউ নিয়ে হাজির হব শীঘ্রই! সে পর্যন্ত সাথে থাকুন এবং ভালো থাকুন!

সিম্ফোনি জেড৮ ডিভাইসটির হ্যান্ডস-অন ভিডিও রিভিউ:

মন্তব্য করুন

টি মন্তব্য

Share.

মন্তব্য করুন