ইমেইলে সিসি (Cc) বনাম বিসিসি (Bcc): কী এবং কেন!

0

আজ ইমেইল সংক্রান্ত একটি খুব সাধারণ কিন্তু বেশ প্রয়োজনীয় টপিক নিয়ে লিখতে বসেছি। টপিকটির নাম, ‘সিসি বনাম বিসিসি’! যেহেতু এই টপিকটির মাধ্যমে একটি নতুন তথ্য হয়ত শিখতে যাচ্ছেন তাই এটিকে টিউটোরিয়ালের ক্যাটাগরিতে ফেলাই উচিৎ হবে মনে হল।  

আপনারা অনেকেই আছেন যারা হয়ত প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রয়োজনে বিভিন্ন মানুষকে ইমেইল পাঠাচ্ছেন। আর ইমেইল পাঠানোর সময় নিশ্চয়ই ‘To’ এর পাশে ‘CC’ এবং ‘BCC’ অপশন দুটিও খেয়াল করেছেন। তবে খেয়াল করলেও এগুলো মূলত কী কাজে আসে তা হয়ত এখনো জানা হয়ে ওঠেনি। বিশেষ করে ‘BCC’ বিষয়টি বেশিরভাগ মানুষেরই অজানা বা পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তাহলে চলুন, আজকে ছোট্ট করে এগুলো কী এবং এদের পার্থক্য ও কখন কোনটি ব্যবহার করা উচিৎ তা জেনে নেয়া যাক।

  • Cc – সিসির (CC) পূর্ণ রূপ হচ্ছে ‘Carbon Copy’। ধরুন আপনি কাউকে ইমেইল করছেন এবং সেই একই মেইলটি হুবহু আরও কিছু মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাচ্ছেন যারা সেই ইমেইলটির সাথে সম্পর্কিত হলেও উক্ত বিষয়টি সম্পর্কে কোন সরাসরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন না, তবে ইমেইলের কপিটি তাদের কাছে থাকাও জরুরী বলে মনে করছেন। এক্ষেত্রে মূলত CC সুবিধাটি ব্যবহার করা হয়
  • Bcc -কী বিসিসি’র পূর্ণ রূপ হচ্ছে ‘Blind Carbon Copy’! সিসির মত এটিও একই রকম কাজ করে তবে এক্ষেত্রে বিসিসিতে আপনি যে ইমেইল অ্যাড্রেসগুলো রাখবেন তারা কেউই বিসিসিতে রাখা অন্য প্রাপকদের সম্পর্কে জানতে পারবে না। ধরুন , আপনি একই ইমেইল আপনার ৫ জন বন্ধুকে একই সাথে পাঠাতে চাইছেন কিন্তু তারা একে অপরের ইমেইল অ্যাড্রেস জেনে যাক তা আপনি চাচ্ছেন না, এক্ষেত্রে বিসিসিতে ইমেইল অ্যাড্রেসগুলো যুক্ত করে দিতে পারেন।

আশা করি সিসি এবং বিসিসি সম্পর্কে আপনাদের ধারণা দিতে পেরেছি। সিসি এবং বিসিসির এই ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও এগুলো ইমেইলের ক্ষেত্রে এটিকেটের পর্যায়েই পড়ে এবং প্রফেশনাল লাইফে এগুলোর চর্চা করাটাও জরুরী।

একটু মজা করা যাক! আপনি ‘To’ তে আপনার কোন মেইল অ্যাড্রেস রেখে বাকি সবাইকে বিসিসিতে রাখলে সবার কাছে ইমেইল যাবার পরেও কেউই কারও সম্পর্কে একেবারেই জানতে পারবে না। এমনকি যেহেতু মূল প্রাপক হিসেবে আপনাকেই রেখেছেন তাই আপনার ইমেইল অ্যাড্রেসটাই শুধু তাদের চোখে ভাসবে!

মন্তব্য করুন

টি মন্তব্য

Share.

Comments are closed.